কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি

রচনা উৎসঃ

আমাদের আলোচ্য “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি” কবিতাটি ষোড়শ শতকের মঙ্গলকাব্যধারার অন্যতম চন্ডীমঙ্গল ধারার বিখ্যাত কবি “কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী” রচনা করেছেন। কাব্যাংশটি তাঁর “অভয়ামঙ্গল” কাব্যের অন্তর্গত। তাঁর “অভয়ামঙ্গল” কাব্যটি “অম্বিকামঙ্গল” বা “কবিকঙ্কণ চন্ডী” নামেও পরিচিত। তাঁর “অভয়ামঙ্গল” কাব্যটি দুটি খন্ডে বিভক্ত; যথাঃ আখেটিক খন্ড ও বণিক খন্ড। “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি” অংশটি এই কাব্যের আখেটিক খন্ডের অন্তর্গত, যা মূল গ্রন্থে “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ” নামে সংকলিত হয়েছে। 

বিষয় সংক্ষেপঃ

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার বিষয়বস্তু নিম্নের ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভিডিওটি প্লে করে এই কবিতার সমগ্র বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পারবেঃ 

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থঃ

কলিঙ্গ– মধ্য-পূর্ব ভারতের একটি ইতিহাসপ্রসিদ্ধ অঞ্চল। এই অঞ্চলটি এক সময় ওড়িশা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখন এ অঞ্চলের রাজধানী ছিল কলিঙ্গপত্তন। বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম উপকূলে গঙ্গানদী থেকে গোদাবরী নদী পর্যন্ত এই অঞ্চলের বিতার ছিলো। 

কৈল– করিল 

ঈশান– ঈশান শব্দের অর্থ মহেশ্বর বা শিব। তবে পাঠ্য কাব্যাংশে ঈশান বলতে উত্তর-পূর্ব দিকের কোণকে বোঝানো হয়েছে। এই কোণের অধিপতি হলেন দেবতা শিব। উত্তর-পূর্ব কোণকে বলা হয় ঈশান, দক্ষিণ-পূর্ব কোণকে বলা হয় অগ্নি, দক্ষিণ-পশ্চিম কোণকে বলা হয় নৈঋত এবং উত্তর-পশ্চিম কোণকে বলা হয় বায়ু। 

চিকুর– কেশ বা চুল 

নিমিষেকে– নিমেশের মধ্যে 

গগন– আকাশ

চারি মেঘ– সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর, দ্রোণ এই চার প্রকার মেঘ 

নাদ– গর্জন 

গণিয়া– বিচার করে

বিপাক– দুর্গতি

রড়– দৌড় 

আচ্ছাদিত– আবৃত

হরিত– সবুজ বর্ণ

অষ্ট গজরাজ– ‘অমরকোষ’ গ্রন্থে অষ্ট গজরাজ বলতে আটটি হাতির নাম উল্লিখিত হয়েছে। যথা- ঐরাবত, পুন্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন, পুষ্পদন্ড, সার্বভৌম এবং সুপ্রতীক। এরা দেবরাজ ইন্দ্রের অষ্ট হাতি। এই অষ্ট হাতি তাদের শুঁড় দিয়ে পৃথিবীকে ধরে রেখেছে বলে মনে করা হয়। 

বেঙ্গ-তড়কা– ব্যাঙের মতো হঠাৎ লাফ দেওয়া 

করি– হাতি

মহী– পৃথিবী 

সোঙরে– স্মরণ করে 

জৈমিনি– মীমাংসা দর্শন প্রণেতা মুনি হলেন জৈমিনি। তিনি পঞ্চ বজ্রবারকের অন্যতম। বজ্রপাত হলে সাধারণ মানুষ তাকে স্মরণ করে।

ভুজঙ্গ– সাপ

বুলে– ভ্রমণ করে

নিরবধি– নিরন্তর

আছুক– পড়ে থাকুক

হেজ্যা– পোঁচে যাওয়া

বিদারিয়া– ভেদ করে

মঠ- আশ্রম বা মন্দির 

অট্টালিকা– প্রাসাদ

দলমল– টলমল অবস্থা 

খান খান– টুকরো টুকরো 

ধায়– দৌড়য় 

অম্বিকা– ধৃতরাষ্ট্রের মাতা, এখানে দেবী চন্ডী 

অম্বিকামঙ্গল– দেবী অম্বিকার পালাগান 

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি MCQ:

১) কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার উৎস- চন্ডীমঙ্গল 

২) কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতার কবি হলেন- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

৩) ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ হয়েছিল- কলিঙ্গদেশে

৪) চারিদিক অন্ধকারে দেখতে না পাওয়ার কারণ হল– সূর্য মেঘে ঢাকা পড়েছিল

৫) দেখিতে না পায় কেহ- অঙ্গ আপনার

৬) আকাশের যে কোণে মেঘ ওড়ে- ঈশান

৭) ‘চিকুর’ বলতে বোঝানো হয়েছে- বিদ্যুৎ

৮) ‘রড়’ কথার অর্থ হল- দৌড় বা ছুট

৯) চারি মেঘ থেকে জল দেয়- অষ্ট গজরাজ 

১০) ‘করি-কর’ শব্দের অর্থ হল- হাতির শুঁড়

১১) “পরিচ্ছিন্ন নাহি সন্ধ্যা______ রজনী” – দিবস

১২) কলিঙ্গদেশের প্রজারা স্মরণ করে- জৈমিনিকে 

১৩) ‘সোঙ্গরে’ শব্দের অর্থ হল- স্মরণ করে

১৪) “গর্ত ছাড়ি ভুজঙ্গ ভাসিয়া বুলে জলে”- ‘বুলে’ শব্দটির অর্থ হল- ঘুরে বেরায় 

১৫) কবিতায় যে মাসে তাল পড়ার কথা বলা হয়েছে- ভাদ্র

১৬) বীর হমুমান যার আদেশ পান- দেবী চন্ডীর 

১৭) শ্রীকবিকঙ্কণ যার গান করেন- দেবী অম্বিকার 

 

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি SAQ প্রশ্নের উত্তরঃ 

১) কলিঙ্গদেশে কখন অন্ধকার নেমে আসে?

উত্তরঃ যখন কলিঙ্গের সমগ্র আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়, তখন কলিঙ্গে অন্ধকার নেমে আসে।

২) আকাশের কোন কোণে প্রথমে মেঘ জমেছিল?

উত্তরঃ আকাশের ঈশাণ কোণে অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব কোণে প্রথমে মেঘ জমেছিল। 

৩) ‘চারি মেঘ’ বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর ও দ্রোণ হলো চার প্রকার মেঘ। 

৪) ‘রড়’ কী ধরণের শব্দ?

উত্তরঃ ‘রড়’ শব্দটি একটি প্রচলিত লৌকিক শব্দ, যার অর্থ দৌড়ে পালানো। 

৫) ঝড়ে শষ্যক্ষেত্রের কী দশা হয়? 

উত্তরঃ ঝড়ে শস্যের গাছগুলি সব উলটে পড়ে। 

৬) মেঘের গর্জনের ফলে প্রজাদের কী অবস্থা হয়?

উত্তরঃ মেঘের গর্জনের ফলে প্রজারা কেউ কারো কোনো কথা শুনতে পারছিলো না। 

৭) কলিঙ্গে নিরবধি কতদিন ধরে বৃষ্টিপাত হয়েছিল?

উত্তরঃ কলিঙ্গে একটানা সাত দিন বৃষ্টি হয়েছিল। 

৮) শিলাবৃষ্টি প্রজাদের কী ক্ষতি করেছিল?

উত্তরঃ শিলাবৃষ্টির ফলে প্রজাদের ঘরের চাল ভেদ করে মেঝেতে শিল এসে পড়ে। 

৯) বন্যার জলের ঢেউ কীরূপ লাভ করেছিল?

উত্তরঃ বন্যার জলের ঢেউ পর্বতের সমান উচ্চতা লাভ করেছিল। 

১০) মঙ্গল্কাব্যে যে ভণিতার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তা কী? 

উত্তরঃ মধ্যযুগীয় কবিরা তাদের পরিচিতি প্রদানের উদ্দেশ্যে পদের শেষে নিজেদের নাম ও পরিচয় উল্লেখ করতেন, একেই ভণিতা বলা হয়। 

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি কবিতা থেকে বড়ো প্রশ্নঃ

১) কলিঙ্গদেশে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছিল তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো।  ৫

উৎসঃ

   কবিকঙ্কন “মুকুন্দরাম চক্রবর্তী” রচিত “চন্ডীমঙ্গল” কাব্যের “আখেটিক খন্ড”-এর অন্তর্গত “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ” অংশটি আমাদের পাঠ্য “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি” নামে গৃহীত হয়েছে।

কলিঙ্গদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিচয়ঃ

   দেবী চন্ডীর ইচ্ছায় ব্যাধ কালকেতু সাত ঘড়া ধন লাভ করে গুজুরাট নগরি নির্মাণ করলে সেখানে প্রজা স্থাপনের উদ্দেশ্যে দেবী চন্ডী পার্শবর্তী কলিঙ্গদেশে প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি করেন। আমাদের পাঠ্য কবিতায় আমরা যার পরিচয় লাভ করি।

   সমগ্র কলিঙ্গদেশের আকাশ এমনভাবে ঘন কালো মেঘ দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে যায় যে কেউ কারো মুখ পর্যন্ত দেখতে পায় না। উত্তর-পূর্ব কোণ জুড়ে কালো মেঘ বিদ্যুতের ভয়াবহ চমক সৃষ্টি করে-

“ঈশানে উড়িল মেঘ সঘনে চিকুর”

উত্তর দিক থেকে প্রবল বাতাস বইতে থাকে ও মুহূর্তের মধ্যে সমগ্র কলিঙ্গদেশের আকাশে বিস্তৃত কালো মেঘে ঢেকে যায়। সম্বর্ত, আবর্ত, পুষ্কর ও দ্রোণ- এই চার প্রকার মেঘের সম্মিলিত বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায়-

“চারি মেঘে বরিষে মুষুলধারে জল”

মেঘের উচ্চনাদে কলিঙ্গের প্রজারা মহাপ্রলয়ের আশঙ্কায় আশঙ্কিত হয়ে ওঠে। ঝড়ের তান্ডবে প্রজারা নিদের গৃহ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। প্রচন্ড ঝড়ে পথের ধুলো দ্বারা সকল সবুজ আচ্ছাদিত হয়ে যায়। এমনকি ঝড়ের আঘাতে প্রজাদের মজুদ করা শস্য উলটে পড়ে যায়। চার প্রকার মেঘ যেন ঐরাবত, পুন্ডরীক, বামন, কুমুদ, অঞ্জন, পুষ্পদন্ত, সার্বভৌম ও সুপ্রতীক নামক অষ্ট গজরাজের সহায়তায় কলিঙ্গের বুকে বৃষ্টিপাতে ব্রতী হয়-

“চারি মেঘে জল দেয় অষ্ট গজরাজ”

ব্যঙের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাজ পড়তে থাকে। কলিঙ্গদেশের জল-স্থল মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় বলে প্রজারা পথ হারিয়ে ফেলে ও গর্ত থেকে সাপ বেরিয়ে পড়ে জলে ভেসে বেড়াতে থাকে। প্রচন্ড মেঘের গর্জনে কলিঙ্গবাসী নিজেদের কথা পর্যন্ত শুনতে পারছিল না। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিন ও রাতের প্রভেদ পর্যন্ত অবলুপ্ত হয়ে যায়-

“পরিচ্ছিন্ন নাহি সন্ধ্যা দিবস রজনী”

   ভীত কলিঙ্গবাসী পরিত্রাণের উদ্দেশ্যে জৈমিনি মুনিকে স্মরণ করতে থাকে। নিরন্তর সাত দিন বৃষ্টিতে ফসল সঠিক ভাবে ঝাড়াই-মাড়াই না হওয়ায় তা পচে যেতে থাকে। প্রজাদের ঘরের চাল ভেদ করে ভাদ্রমাসে তাল পড়ার মতো শিল পড়তে থাকে-

“মেঝ্যাতে পড়য়ে শিল বিদারিয়া চাল

ভাদ্রপদ মাসে যেন পড়ে থাকা তাল।।”

   ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝে দেবী চন্ডীর আদেশে বীর হনুমান কলিঙ্গের সমস্ত মঠ ও অট্টালিকা ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিতে থাকেন। দেবী চন্ডীর আদেশে নদনদীরা কলিঙ্গের উদ্দেশ্যে ধাবিত হলে পর্বতসম ঢেউ কলিঙ্গদেশে আছড়ে পড়ে।    

   এইরূপে কলিঙ্গদেশে যে প্রাকৃতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিল তা কলিঙ্গবাসীকে বিপদগ্রস্থ করে তুলেছিল।

 

১) “প্রলয় গনিয়া প্রজা ভাবয়ে বিষাদ”- কোন্‌ দেশের প্রজার কথা বলা হয়েছে? তাদের এমন দুর্দিন কেন তা লেখো। ১+৪=৫   

উৎসঃ

কবিকঙ্কন “মুকুন্দরাম চক্রবর্তী” রচিত “চন্ডীমঙ্গল” কাব্যের “আখেটিক খন্ড”-এর অন্তর্গত “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ” অংশটি আমাদের পাঠ্য “কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি” নামে গৃহীত হয়েছে। প্রশ্নোক্ত অংশটি এই কবিতার অন্তর্গত।

যে দেশের প্রজাঃ

প্রশ্নোক্ত অংশে কলিঙ্গদেশের প্রজাদের কথা বলা হয়েছে।

দুর্দিনের কারণঃ

এই অংশের জন্য ১ নং প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশটি লেখো। 

এই কবিতা থেকে MCQ প্রশ্নের উত্তর সমাধান করতে নিম্নের লিংকে ক্লিক/টাচ করো

sikkhalaya click here

শিক্ষালয়ের পক্ষ থেকে নিয়মিত নবম শ্রেণির বাংলা বিষয়ে বিবিধ নোট, মক টেষ্ট, প্রশ্ন, আলোচনামূলক ভিডিও এই ওয়েবসাইটে প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি খুঁজে নিতে পেজের উপরে প্রদান করা মেনু অপশনের সাহায্য গ্রহণ করতে পারো। তোমরা প্রত্যেক দিন এই ওয়েবসাইটে তোমাদের পাঠ্য বিষয়গুলি সম্পর্কে নতুন নতুন পোষ্টের সহায়তা লাভ করবে। এই সহায়তাগুলি পেতে তোমাদের নিয়মিত শিক্ষালয় ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এছাড়াও তোমরা শিক্ষালয় ওয়েবসাইটের আপডেট পেতে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারো ও এই ওয়েবসাইটটিকে তোমাদের মোবাইল/কম্পিউটারে বুকমার্ক রূপে সেভ করে রাখতে পারো। 

 

শিক্ষালয় ওয়েবসাইটের সকল প্রকার নোট, সাজেশন, প্রশ্নপত্র ও মক টেষ্টের সুবিধা গ্রহণ করতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করে বিষদ তথ্য জেনে নাওঃ 

paid courses


“কলিঙ্গে সোঙরে সকল লোক যে জৈমিনি”- জৈমিনি কে? ‘সোঙরে’ শব্দের অর্থ কী? কলিঙ্গের প্রজারা কী কারণে জৈমিনিকে স্মরণ করেছিল?

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

“অম্বিকামঙ্গল গান শ্রীকবিকঙ্কণ”- ‘অম্বিকামঙ্গল’ ও তাঁর কবি ‘শ্রীকবিকঙ্কণ’-এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ অংশে বর্ণিত প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনা দাও। ২+৩=৫

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

“বিপাকে ভবন ছাড়ি প্রজা দিল রড়”- ‘রড়’ শব্দের অর্থ কী? কোথাকার প্রজার কথা বলা হয়েছে? বিপাকের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো। ১+১+৩=৫

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

কলিঙ্গদেশে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছিল তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো। অথবা কলিঙ্গদেশের প্রজাদের দুর্দশার পরিচয় দাও। ৫

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

নবম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্যান্য গল্প, কবিতাগুলি থেকে MCQ প্রশ্নের উত্তর সমাধান করতে নিম্নের লিংকে টাচ/ক্লিক করতে হবে

sikkhalaya click here

model activity task january 2022 পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 

class nine history mcq mock test নবম শ্রেণি ইতিহাস MCQ মক টেষ্ট 

class nine geography mcq mock test নবম শ্রেণি ভূগোল MVQ মক টেষ্ট 

madhyamik bengali mcq mock test মাধ্যমিক বাংলা MCQ মক টেষ্ট 

madhyamik bengali suggestion মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন 

online quiz সকলের জন্য অনলাইন কুইজ 

hs bengali suggestion উচ্চমাধ্যমিক বাংলা সাজেশন

শিক্ষালয় ইউটিউব চ্যানেল 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You cannot copy content of this page