একাদশ শ্রেণির বাংলা পাঠ্যের অন্তর্ভুক্ত প্রবন্ধ “সুয়েজখালে হাঙর শিকার” থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ SAQ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হলো।

১) সুয়েজ বন্দরে তিন দিকে কী আছে?

উঃ বালির ঢিপি ও পাহাড়।

২) কোন মাছ দেখে লেখকের হাঙরের বাচ্চা বলে মনে হয়েছিল?

উঃ বনিটো মাছ দেখে।

৩) সুয়েজ খালের কুলি জাহাজ ছুঁতে পারবে না কেন?

উঃ জাহাজের যাত্রীদের দ্বারা প্লেগ আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকার কারণে।

৪) ‘মিসরী আদমীকে ছুঁলেই আবার দশদিন আটক’—কারণ কী?

উঃ জাহাজের যাত্রীদের দশদিন আটকে না রাখলে বোঝা যাবে না তাদের সংস্পর্শে আসা মিসরীয়রা প্লেগ আক্রান্ত হয়েছে কিনা।

৫) ‘সেদিন আমার খাওয়া দাওয়ার দফা মাটি হয়ে গিয়েছিল’—কেন?

উঃ জাহাজের সবকিছুতেই হাঙ্গরের গন্ধ পাচ্ছিলেন প্রাবন্ধিক।

৬) “আমেরিকার আদিম নিবাসীরা এখনো ইন্ডিয়ান নামে অভিহিত”—কারণ কী?

উঃ কারণ আমেরিকায় পৌঁছেও কলম্বাসের ধারণা ছিল তিনি ভারতবর্ষে পৌঁছেছেন।

৭) ‘ভারতের আর তত কদর নাই’—কারণ?

উঃ আমেরিকা প্রভৃতি দেশে ভারতের জিনিসপত্র ভারতের থেকে ভালো তৈরি হচ্ছে।

৮) জাহাজের খালাসিদের আপদ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উঃ কারণ খালাসিরাই কুলি হয়ে ক্রেনে করে মাল তুলে সুয়েজি নৌকায় ফেলছে।

৯) ‘স্বর্গে ইঁদুর বাহন প্লেগ পাছে ওঠে’–স্বর্গ বলতে কী বোঝানো  হয়েছে?

উঃ স্বর্গ বলতে ইউরোপ মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে।

১০) লেখক যে জাহাজে ছিলেন তা রাতে সুয়েজ খাল পার হতে পারেনি কেন?

উঃ ছোঁয়াছুঁয়ির ভয়ে বিজলি বাতি না লাগানোর কারণে।

১১) লেখক কোন মাছদের হাঙর চোষক বলেছেন?

উঃ যে মাছগুলি হাঙরের আশেপাশে থাকে এবং খাদ্যের অবশিষ্ট যারা খায়।

১২) কার উৎসাহে হাঙর ধরার উপকরণ জোগাড় হয়েছিল?

উঃ সেকেন্ড ক্লাসের এক ফৌজীর উৎসাহে।

১৩) আড়কাটী মাছ বলতে লেখক কোন মাছ বুঝিয়েছেন?

উঃ পাইলট ফিস, যারা হাঙরকে শিকার দেখিয়ে দেয়।

১৪) হাঙরদের ভাষা থাকলে কে কাকে সাবধান করে দিত?

উঃ বাঘা হাঙর থ্যাবড়া মুখো হাঙরকে সাবধান করত, যাতে মানুষের টোপে ধরা না দেয়।

১৫) ‘আহা! ও লোভ কী ছাড়া যায়’–কীসের লোভ?

উঃ শুকোরের মাংসের লোভ।

১৬) সুয়েজ খাল কে খনন করেন?

উঃ ফর্ডিনেন্ড লেসেন্স।

১৭) সুয়েজ খাল কোন কোন সাগরকে যুক্ত করেছে?

উঃ ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে সুয়েজ খাল।

১৮) সুয়েজখাল কে সংস্কার করেন?

উঃ সুয়েজ খাল সংস্কার করান আমুন্ডসেন।

১৯) রেড-সি পার হয়ে কবে সুয়েজখালে পৌঁছেছিলেন লেখক?

উঃ প্রাবন্ধিকের জাহাজ ১৪ জুলাই রেড সি অতিক্রম করে সুয়েজ বন্দরে পৌঁছেছিল।

২০) স্বামীজী যখন সুয়েজখালে পৌঁছান তখন কোন রোগের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল?

উঃ প্লেগ রোগের।

২১) সুয়েজখালের জলে কোন প্রাণীরা ভেসে বেড়ায়?

উঃ হাঙর।

২২) প্রচুর পরিমাণে হাঙর দেখা যায় কোথায়?

উঃ অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বন্দরে।

২৩) মানুষের জাত ক্রোধ কোন প্রাণীর উপরে?

উঃ সাপ ও হাঙর।

২৪) “উনি শুটকি রূপে আমদানি হন”–উনি কে?

উঃ বনিটো মাছ।

২৫) বনিটো কোথা থেকে আমদানি হয়?

উঃ মালদ্বীপ থেকে।

২৬) বনিটোর মাংস কেমন?

উঃ লাল এবং খুবই সুস্বাদু।

২৭) হাঙর মাছকে টানার জন্য কতজন প্রস্তুত ছিল?

উঃ ৪০-৫০ জন।

২৮) ‘আগে যান ভগীরথ শঙ্খ ধ্বনি বাজায়ে’–এখানে ভগীরথ কে?

উঃ পাইলট ফিস অর্থাৎ আরকাটি মাছ।

২৯) “পাছুপাছু যান গঙ্গা”–এখানে গঙ্গা বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উঃ থ্যাবড়া মুখো হাঙরকে।

৩০) ‘আহা কী নিষ্ঠুর’–একথা কারা বলেছে?

উঃ জাহাজের মহিলা যাত্রীরা।

৩১) এখন বর্তমানে সুয়েজ কাদের দখলে আছে?

উঃ ফরাসিদের।

৩২) গোরা আদমি বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উঃ ব্রিটিশদের।

“সুয়েজখালেঃ হাঙর শিকার” প্রবন্ধ থেকে অন্যান্য প্রশ্ন ও তাদের উত্তর দেখতে এই লেখাটিতে ক্লিক/টাচ করতে হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page