barir kache arshinogor

“বাড়ির কাছে আরশিনগর” থেকে এখানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নোট প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট নোটে টাচ/ক্লিক করে সেই বিষয়ের নোটগুলি দেখতে পারবে।

বাড়ির কাছে আরশিনগর থেকে MCQ প্রশ্নের উত্তরঃ

১) বাউল শব্দটি এসেছে- সংস্কৃত বাতুল শব্দ থেকে  

২) বাড়ির কাছে আরশিনগর গানটির রচয়িতা –  লালন ফকির

৩) বাড়ির কাছে আরশিনগর গানটি প্রকৃতপক্ষে একটি-  বাউল গান

৪) বাড়ির কাছে আরশিনগর কবিতাটির মূল উৎস- লালন-গীতিকা 

৫) ‘আমি একদিনও না দেখিলাম তারে’- এখানে আমি হল- কবি স্বয়ং

৬) ‘আমি একদিনও না দেখিলাম তারে’- লালন ফকির এখানে যাকে দেখতে চেয়েছেন- তার মনের মানুষকে

৭) ‘আমার বাড়ির কাছে আরশিনগর’- এখানে ‘বাড়ি’ বলতে বোঝানো হয়েছে-  নিজের দেহ

৮) আরশিনগর বলতে বোঝান হয়েছে- সাধকের মন

৯) ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’ গানে আরশি নগরে বাস করেন- পড়শি

১০) লালন ফকির যাকে পড়শী বলেছেন তিনি আসলে হলেন- তার মনের মানুষ

১১) আরশিনগর গ্রামকে ঘিরে রয়েছে- অগাধ পানি

১২) ‘গ্রাম বেরিয়ে অগাধ পানি’- এই অগাধ পানি বলতে বোঝানো হয়েছে- মানুষের যাবতীয় বিষয়বাসনা 

১৩) ‘আমি বাঞ্ছা করি দেখবো তারি’ – যাকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে- পড়শি অর্থাৎ মনের মানুষকে 

১৪) ‘আরশি’ শব্দটির অর্থ হল- আয়না

১৫) “ও তার নাই কিনারা”— এই কিনারা না থাকা যার ইঙ্গিত দেয়- সীমাহীন বিষয়বাসনা 

১৬) “নাই তরণী পারে”— ‘তরণী’র অন্তর্নিহিত অর্থ হল- আরাধ্যের কাছে পৌঁছোনোর বাধা অতিক্রমণের উপকরণ

বাড়ির কাছে আরশিনগর থেকে MCQ প্রশ্নের মক টেষ্ট প্রদান করতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

বাড়ির কাছে আরশিনগর থেকে SAQ প্রশ্নের উত্তরঃ

১)  বাড়ির কাছে আরশিনগর গানটির রচয়িতা কে? 

উওরঃ বাড়ির কাছে আরশিনগর গানটির রচয়িতা হলেন লালন ফকির।

 

২) “পড়শী যদি আমায় ছুঁত”- তাহলে কি হতো?

উওরঃ পড়শী যদি লালন ফকিরকে ছুঁয়ে দিতেন, তাহলে তার সমস্ত যম-যাতনা দূর হয়ে যেত।

 

৩) ‘সে আর লালন একখানে রয়’- সে বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উওরঃ সে বলতে লালন ফকিরের পড়শিকে বোঝানো হয়েছে।

 

৪) লালন ফকির আর তার পড়শির মধ্যে কত যোজন ফাঁক রয়েছে?

উওরঃ লালন ফকির আর তার পড়শির মধ্যে লক্ষ যোজন ফাঁক রয়েছে।

৫) বাড়ির কাছে আরশিনগর কবিতায় পড়শীর কি রূপ ফুটে উঠেছে?

উওরঃ লালন ফকিরের মতে,  তার পড়শি হলেন এমন একজন যার হস্ত-পদ-স্কন্ধ-মাথা কিছুই নেই। অর্থাৎ তিনি হলেন নিরাকার।

 

৬) “গ্রাম বেড়িয়ে অগাধ পানি”- তাৎপর্য লেখো। 

উত্তরঃ ‘গ্রাম’ কথাটি দেহভাণ্ড এবং ‘অগাধ পানি’ কথাটি বিষয়বাসনা অর্ধে ব্যবহার করে লালন ফকির বলেছেন সীমাহীন বিষয়বাসনা দেহকে ঘিরে থাকে। 

 

৭) “ও তার নাই কিনারা নাই তরণী পারে”-এ কথার অর্থ কী? 

উত্তরঃ মন্তব্যটির প্রকৃত অর্থ হল ‘অগাধ পানি’ রূপ মানুষের যে বিষয়বাসনা, তার কোনো সীমা নেই এবং তাকে অতিক্রমের কোনো ‘তরণী’ বা অবলম্বন নেই।

 

৮) “ও তার নাই কিনারা নাই তরণী পারে”- এখানে ‘তরণী’ কথাটির আক্ষরিক অর্থ ও রূপকাৰ্থ কী কী?

উত্তরঃ ‘তরণী’ কথাটির আক্ষরিক অর্থ নৌকা এবং কবিতায় এর রূপকাৰ্থ হল বিষয়বাসনা থেকে মুক্ত হওয়ার অবলম্বন।

 

৯) “ও তার নাই কিনারা নাই তরণী পারে”- ‘কিনারা’ না থাকার তাৎপর্য কী?

উত্তরঃ মানুষের বিষয়বাসনা সীমাহীন | তাই এর কোনো কিনারা নেই।  

 

১০)  লালন ফকিরের মনের ‘বাঞ্ছা’ কী ছিল? 

উত্তরঃ লালন ফকিরের মনের ‘বাঞ্ছা’ ছিল ‘আরশিনগর’-এ বাস করা এবং তার পড়শিকে দেখা।

১১) “আমি কেমনে সে গাঁয় যাই রে”- বক্তা সে গাঁয়ে যেতে পারছেন না কেন? 

উত্তরঃ অগাধ পানি গ্রামকে ঘিরে থাকায় এবং পার হওয়ার জন্য কোনো নৌকাও না থাকায় বক্তা সে গ্রামে যেতে পারেননি।

 

১২) “আমি কেমনে সে গাঁয় যাই রে”—এই গ্রামে গেলে বক্তার কী লাভ হত? 

উত্তরঃ এই গ্রামে গেলে বক্তা তার ‘মনের মানুষ’ বা ‘পড়শি’-র সাক্ষাৎ লাভে সমর্থ হবেন। 

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন দেখতে এই  লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

 

বাড়ির কাছে আরশিনগর থেকে বড়ো প্রশ্নের উত্তরঃ 

১) “পড়শি যদি আমায় ছুঁত / আমার যম-যাতনা যেত দূরে”- যম-যাতনা কী? মন্তব্যটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

উৎসঃ

১৯৫৮ খ্রিঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত “লালন গীতিকা” নামক লালনের গানের সংকলন থেকে “বাড়ির কাছে আরশিনগর” গানটি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রশ্নোক্ত তাৎপর্যপূর্ণ অংশটি তাঁর এই গানের অংশ।

যম-যাতনাঃ

লালন ফকির তাঁর গানে ‘যম-যাতনা’ বলতে ষড়রিপুকে বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদমাৎসর্য এই জাগতিক বাঁধাগুলি আমাদের মুক্তি বা ঈশ্বর সান্নিধ্য লাভে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।

তাৎপর্যঃ

লালন ফকির বলেছেন-

“সাধ্য কি আমার সেই রূপ চিনিতে

অহর্ণিকা মায়া কাঁসি জ্ঞানচক্ষেতে।”

অর্থাৎ তাঁর করুণা-স্পর্শ পেতে প্রয়োজন জ্ঞানের উন্মিলন; সেই জ্ঞান যার অর্থ নিজেকে চেনা।লালন ফকির তাঁর মনের মানুষের সন্ধান করলেও তার সান্নিধ্য লাভে সমর্থ হন নি। স্বার্থপরতা ও বিষয়ভাবনা তার সেই মুক্তির পথে অন্তরায় হয়ে উঠেছে। সীমাহীন পার্থিববাসনা তাদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে-

“তবু লক্ষ যোজন ফাঁক রে।”

লালন ফকির তাই আক্ষেপের সুরে জানিয়েছেন, যদি ‘পড়শি’ অর্থাৎ মনের মানুষের সন্ধান তিনি পেতেন তবে তার সকল ‘যম-যাতনা’ বা পার্থিব দুখঃ-শোক থেকে তিনি পরিত্রাণ লাভে সমর্থ হতেন।

“আমার বাড়ির কাছে আরশিনগর/ ও এক পড়শি বসত করে”- মন্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে পড়শির সাথে তাঁর “লক্ষ যোজন ফাঁক”এর কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

“পড়শি যদি আমায় ছুঁত / আমার যম-যাতনা যেত দূরে”- যম-যাতনা কী? মন্তব্যটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

পাঠ্য লালনগীতিতে বাউল সাধনার যে গুঢ় তত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে তা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

“হস্ত-পদ-স্কন্ধ-মাথা নাই রে”- মন্তব্যটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

“ও সে ক্ষণেক থাকে শূণ্যের উপর / আবার ক্ষণেক ভাসে নীরে।”- কার কথা বলা হয়েছে? মন্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

“গ্রাম বেড়িয়ে অগাধ পানি”- কোন গ্রামের কথা বলা হয়েছে? কথাটির তাৎপর্য লেখো।

উত্তর জানতে এখানে টাচ/ক্লিক করতে হবে

শিক্ষালয় ওয়েবসাইটের সকল প্রকার নোট, সাজেশন, প্রশ্নপত্র ও মক টেষ্টের সুবিধা গ্রহণ করতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করে বিষদ তথ্য জেনে নাওঃ 

paid courses

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You cannot copy content of this page