class nine bengali suggestion first unit test

নবম শ্রেণি বাংলাঃ প্রথম ইউনিট টেষ্ট সাজেশন

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষালয় ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে প্রথম ইউনিট টেষ্টের জন্য বাংলা বিষয়ের সাজেশন প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা তাদের বাংলা পাঠ্যবই দুটো (সাহিত্য সঞ্চয়ন ও প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রি) খুব ভালো করে পড়বে এবং এই প্রশ্নগুলির উত্তর সমাধান করবে। শিক্ষালয় ওয়েবসাইটের নোট বিভাগে নিম্নের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলির উত্তর শিক্ষালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হয়েছে। সকল শিক্ষার্থীদের জানাই পরিক্ষার আগাম শুভেচ্ছা।  

 

কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টিঃ

১) ‘কবিকঙ্কন’ কোন কবির উপাধি? ১

২) ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কোন কাব্যের অন্তর্গত? ১

৩) ‘চিকুর’ কথার অর্হ কী? ১

৪) ‘চারি মেঘ’ বলতে কী বোঝ? ১

৫) ‘রড়’ শব্দের অর্থ কী? ১ 

৬) অষ্ট গজরাজ বলতে কী বোঝ? ১

৭) ‘বেঙ্গ তড়কা’ শব্দের অর্থ কী? ১

৮) জৈমিনি কে? ১

৯) নিরন্তর কতদিন বৃষ্টি হয়েছে কলিঙ্গদেশে? ১

১০) শিলকে কবিতায় কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? ১

১১) কোন মাসে তাল পরে? ১

১২) বীর হনুমান কার আদেশ পান? ১

১৩) ‘অম্বিকা’ কার নাম? ১

১৪) ‘ভণিতা’ কাকে বলে? পাঠ্যাংশে যে ভণিতার পরিচয় পাওয়া যায় তা উল্লেখ করো। ১+২

১৫) ‘দেখিতে না পায় কেহ অঙ্গ আপনার’- কে, কেন এই কথা ব্যক্ত করেছেন? ৩

১৬) ‘প্রজা ভাবয়ে বিষাদ’- প্রজাদের মন বিষাদগ্রস্ত কেন? ৩

১৭) ‘ভাদ্রপদ মাসে যেন পড়ে থাকা তাল’- তাৎপর্য লেখো। ৩

১৮) ‘না পায় দেখিতে কেহ রবির কিরণ’- কবির এমন মন্তব্যের কারণ কী? ৩

১৯) ‘কলিঙ্গদেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কাব্যাংশ অবলম্বনে প্রজাদের দুরবস্থার বর্ণনা দাও। ৫ 

২০) ‘কলিঙ্গদেশে ঝর-বৃষ্টি’ কবিতায় যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে তার পরিচয় দাও। ৫ 

 

ধীবর-বৃত্তান্তঃ 

১) ঋষি দুর্বাসা কেন শকুন্তলাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন? ১

২) ঋষি দুর্বাসা শকুন্তলাকে কী অভিশাপ দিয়েছিলেন? ১

৩) শকুন্তলার কাছে রাজা দুষ্মন্তের কোন নিদর্শন ছিল? ১

৪) রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেননি কেন?  ১

৫) দুই নগর রক্ষীর নাম কী ছিল? ১

৬) আত্মপরিচয় দিতে গিয়ে ধীবর কী বলেছিল? ১

৭) নিজের জীবিকা সম্পর্কে ধীবর কী পরিচয় দিয়েছিল? ১/৩

৮) নিজের বৃত্তির সমর্থনে ধীবর কী যুক্তি প্রদান করেছিল? ১/৩

৯) ধীবরকে কী কী বলে অপমানিত করা হয়েছিল? ১

১০) রাজশ্যালকের কাছে আংটি প্রাপ্তির সংবাদ শুনে মহারাজ কী করতে পারেন বলে দুই রক্ষীর অনুমান হয়? ১

১১) প্রথম রক্ষীর হাত নিশপিশ করছিল কেন? ১

১২) সব শুনে রাজা কী হুকুমনামা দিয়েছিলেন? ১

১৩) রাজশ্যালক রাজবারি থেকে ফিরে এসে রক্ষীদের কী নির্দেশ দিয়েছিলেন? ১

১৪) আংটি সম্মন্ধে রাজার কোন মনোভাব রাজশ্যালকের চোখে পরেছিল? ১/৩ 

১৫) সূচক ও জানুককে ধীবর কী দিতে চেয়েছিল? ১

১৬) পাঠ্যাংশের শেষে রাজশ্যালক ধীবরকে কী বলে স্বীকার করেছিলেন? ১

১৭) দুর্বাসার অভিশাপ কীভাবে শকুন্তলার লঘু হয়েছিল? ৩

১৮) রাজা দুষ্মন্তের দেওয়া বহুমূল্য আংটিটি শকুন্তলা কীভাবে হারিয়ে ফেলেছিলেন? ৩

১৯) “এখন মারতে হয় মারুন, ছেরে দিতে হয় ছেড়ে দিন”- আলোচ্য উক্তিটির তাৎপর্য লেখো। ৩/৫

২০)  ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ অবলম্বনে ধীবর চরিত্রটি আলোচনা করো। ৫ 

২১) “যে বৃত্তি নিয়ে মানুষ জন্মেছে, সেই বৃত্তি নিন্দনীয় হলেও তা পরিত্যাগ করা উচিৎ নয়”- উক্তিটি কার? কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি? উক্তিটিতে যে দর্শন ফুটে উঠেছে তাঁর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও। ১+২+২ 

২২) “এখন থেকে তুমি আমার একজন বিশিষ্ট বন্ধু হলে”- কারা পরস্পরের বন্ধু হয়েছে? কীভাবে তারা বন্ধু হলো? ১+৪ 

 

ইলিয়াসঃ 

১) ইলিয়াস কে? ১

২) ইলিয়াসের বাস কোথায়? ১

৩) ইলিয়াসের বাবা কবে মারা যায়? ১

৪) ইলিয়াসের বিষয়সম্পত্তি বলতে কী ছিল? ১

৫) কতদিন ধরে পরিশ্রম করে ইলিয়াস ধনী হয়েছিল? ১

৬) ‘কুমিস’ শব্দের অর্থ কী? ১

৭) অতিথিরা এলে কোন পশু মারা হতো? ১

৮) ইলিয়াস কীভাবে অতিথি আপ্যায়ন করতো? ১

৯) ইলিয়াসের কয়জন ছেলে মেয়ে? ১

১০) ইলিয়াসের বড়ো ছেলের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল? ১

১১) ইলিয়াস তাঁর ছোট ছেলেকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল কেন? ১

১২) ইলিয়াস তার ছোট ছেলেকে কী কী সম্পত্তি দিয়েছিল? ১ 

১৩) ইলিয়াসের সম্পত্তিতে কীভাবে টান পরেছিল? ১

১৪) কারা ইলিয়াসের ঘোড়াগুলি চুরি করেছিল? ১

১৫) ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম কী? ১

১৬) কত বছর বয়সে ইলিয়াস একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছিল? ১

১৭) ইলিয়াসের বোঁচকায় কী ছিল? ১

১৮) মহম্মদ শা কে? ১

১৯) মহম্মদ শার বাড়িতে ইলিয়াস ও তার স্ত্রী কী কী কাজ করত? ১ 

২০) অতিথিরা বিস্মিত হয়েছিল কেন? ১

২১) ‘বোলবোলাও’ শব্দের অর্থ কী? ইলিয়াসের বলবোলাওয়ের কারন লেখো। ১+২

২২) “সত্যিই ভাগ্য যেনো চাকার মত ঘোরে”- একথা কে বলেছিল? কখন বলেছিল? ১+২

২৩) ইলিয়াসের সংসারে সুখ ছিল না কেন? ৩

২৪) “বন্ধুগণ হাসবেন না”- একথা কে, কেন বলেছে? ২ 

২৫) ইলিয়াসের চরিত্র আলোচনা করো। ৫

২৬) ইলিয়াসের স্ত্রীর চরিত্র আলোচনা করো। ৫

২৭) “সত্যিই ভাগ্য যেনো চাকার মত ঘোরে”- কখন একথা বলা হয়েছে? এ কথা বলার কারণ কী? ১+৪ 

২৮) “এটা খুবই জ্ঞানের কথা”- বক্তা কে? জ্ঞানের কথাটি কী? বক্তা কেন এমনতর কথা বলেছেন? ১+৪ 

 

দামঃ

১) স্কুলে কে বিভীষিকা ছিলেন? ১

২) জটিল অংক মাস্টারমশাই কীভাবে কষে দিতেন? ১

৩) “পৃথিবীতে যত অংক ছিল, সব যেন ওঁর মুখস্থ”- ছাত্রদের এমন মনে হবার কারণ কী ছিল? ১

৪) মাস্টারমশাইয়ের ভয়ে কারা তটস্থ হয়ে থাকত? ১

৫) অঙ্কে যারা কাঁচা তাদের কী অবস্থা হতো মাস্টারমশাইয়ের ক্লাসে? ১

৬) “তা উনি পারতেন”- উনি কী পারতেন? ১

৭) পুরুষ মানুষ হয়ে অংক করতে না পারা সম্পর্কে মাস্টারমশাই কী বলতেন? ১ 

৮) “সে সর্গের চাইতে লক্ষ যোজন দূরে থাকাই আমরা নিরাপদ বোধ করতুম”- লেখকের এমন মনোভাবের কারণ কী ছিল? ১

৯) “এম।এ পাস করার পরেও স্বপ্নে দেখেছি”- কী স্বপ্ন দেখেছেন কথক? ১

১০) “একদিন একটি পত্রিকার পক্ষ থেকে ফরমাশ এল”- কার কাছে কী ফরমাশ এল? ১

১১) সাহিত্যের ‘ইন্দ্র চন্দ্র মিত্র বরুণ’ কারা? ১

১২) “ওটা প্রীতির ব্যাপার, পদমর্যাদার নয়”- কোন্‌টা? ১

১৩) “আমার নগদ লাভ”- কার কী লাভ? ১

১৪) ‘দাম’ গল্পের কথক ‘সর্বার্থসার্থক বক্তৃতা’ বলতে কী বুঝিয়েছেন? ১

১৫) “আমার ছাত্র আমাকে অমর করে দিয়েছে”- কীভাবে অমর করে দিয়েছে? ১

১৬) কোটি মণিমাণিক্য দিয়ে যার পরিমাপ হয় না”- কিসের পরিমাপ করা যায় না? ১

১৭) যার দাম সংসারের সব ঐশ্বর্যের চাইতে বেশি”- কোন দামের কথা এখানে বলা হয়েছে? ১

১৮) “কুবেরের ভান্ডারকে ধরে দিয়েও যা পাওয়া যায় না”- কী পাওয়া যায় না? ১

১৯) “পৃথিবীতে যত অংক ছিল, সব যেন ওঁর মুখস্থ”- ছাত্রদের এমন অনুভূতির কারণ কী ছিল? ৩ 

২০) “কিন্তু কাঁদবার জো ছিল না”- কাদের, কেন কাঁদবার জো ছিল না? ৩ 

২১) “এখানকার চড়ুই পাখিও সেখানে রাজহংসের সন্মান পায়”- প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। ৩  

২২) “ওই ডাক শুনে ছেলেবেলায় বহুদিন আমার গায়ের রক্ত হিম হয়ে এসেছে”- গায়ের রক্ত হিম হয়ে আসত কেন? ৩

২৩) “আমি তাকে দশ টাকায় বিক্রি করেছিলুম”- প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। ৩ 

২৪) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দাম’ গল্পের কথক তথা সুকুমারের চরিত্র আলোচনা করো। ৫

২৫) “গাধা পিটিয়ে ঘোড়া করতে গেলে গাধাতাই পঞ্চত্ব পায়”- তাৎপর্য লেখো। ৫ 

২৬) “এ অপরাধ আমি বইব কী করে, এ লজ্জা আমি কোথায় রাখবো”- বক্তা কোন কৃতকর্মকে অপরাধ বলে চিহ্নিত করেছেন? গল্পে এই অপরাধবোধ ও আত্মগ্লানি দূর হয়ে কীভাবে বক্তার আত্মশুদ্ধি ঘটল তা বুঝিয়ে দাও। ২+৩ 

 

নোঙরঃ 

১) ‘নোঙর’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? ১

২) নোঙর কোথায় গিয়ে পড়েছে? ১

৩) সারারাত ধরে দাঁড়টানাকে কবির কী বলে মনে হয়েছে? ১

৪) জোয়ারের ঢেউগুলি কেমন আকার ধারণ করে? ১

৫) ভাটার শোষণ কী করে? ১ 

৬) কবির বাণিজ্যতরি কোথায় বাঁধা পরে আছে? ১

৭) নোঙরের কাছি কী? ১

৮) সাগরগর্জনে কারা কেঁপে ওঠে? ১

৯) প্রতিবার দাঁড়ের নিক্ষেপে কবি কী শোনেন? ১

১০) তারার দিকে তাকিয়ে কবি কী করেন? ১

১১) “সারারাত মিছে দাঁড় টানি”- কে, কোথায় এমন উক্তি করেছেন? মন্তব্যটির যথার্থতা বুঝিয়ে দাও। ১+২ 

১২) “তারপর ভাঁটার শোষণ”- ভাটা কীভাবে শোষণ করে? ৩ 

১৩) “স্রোতের বিদ্রুপ শুনি প্রতিবার দাঁড়ের নিক্ষেপে”- অংশটির তাৎপর্য লেখো। ৩ 

১৪) “নোঙর গিয়েছে পরে তটের কিনারে”- নোঙর বলতে কী বোঝো? তট শব্দের অর্থ কী? নোঙর তটের কিনারে পড়ে যাওয়ার ফলাফল কী হয়েছিল? ১+১+৩ 

১৫) “জোয়ার-ভাটায় বাঁধা এ তটের কাছে/আমার বাণিজ্য-তরী বাঁধা পড়ে আছে”- কার তরি, কোন তটে বাঁধা পড়ে আছে? জোয়ার আয় কীভাবে তা বাঁধা আছে? এর ফলে কী ঘটছে? ২+৩

 

ব্যাকরণঃ

১) বিভাজ্য ধ্বনি কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? 

২) হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরধ্বনি কাকে বলে?

৩) মৌলিক ও যৌগিক স্বরধ্বনি কাকে বলে?

৪) উচ্চ ও নিম্ন স্বরধ্বনি কাকে বলে?

৫) সম্মুখ ও পশ্চাৎ স্বরধ্বনি কাকে বলে?

৬) কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি কাকে বলে?

৭) কুঞ্চিত স্বরধ্বনি কাকে বলে? 

৮) বিবৃত স্বরধ্বনি কাকে বলে?

৯) সংবৃত স্বরধ্বনি কাকে বলে? 

১০) তালব্য স্বরধ্বনি কাকে বলে? 

১১) কন্ঠৌষ্ঠ্য স্বরধ্বনি কাকে বলে? 

১২) ওষ্ঠ্যব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে? 

১৩) ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে? 

১৪) ঘোষীভবন কাকে বলে? 

১৫) ক্ষীণায়ন কী?

১৬) পীণায়ন কী? 

১৭) নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে? 

১৮) তাড়নজাত ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে? 

১৯) স্বরাগম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও। 

২০) স্বরভক্তি কাকে বলে? 

২১) ব্যঞ্জনাগম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও। 

২২) স্বরলোপ কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও। 

২৩) ব্যঞ্জনলোপ কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও। 

২৪) স্বরসংগতি কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও। 

২৫) অপিনিহিতি কাকে বলে? উদাহরণ দাও। 

২৬) অভিশ্রুতি কাকে বলে? উদাহরণ দাও। 

২৭) সমীভবন কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও। 

২৮) স্বরসন্ধি থেকে সন্ধি বিচ্ছেদ অনুশীলন করতে হবে। 

 

ভাবসম্প্রসারণঃ

১) “পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না, পরের জন্য

তোমার হৃদয়-কুসুমকে প্রস্ফুটিত করিও।” 

 

২) “অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,

তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।”

 

৩) “স্বার্থমগ্ন যেজন বিমুখ

বৃহৎ জগৎ হতে সে কখনও শেখেনি বাঁচিতে।”

 

৪) “জীবে প্রেম করে যেই জন

সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” 

 

৫) “এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি ভুরি।

রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।”

 

নবম শ্রেণি বাংলা MCQ প্রশ্নের মক টেষ্ট প্রদান করতে এই লেখাটিতে ক্লিক/টাচ করো 

৬) “উত্তম নিসচিন্তে চলে অধমের সাথে,

তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে।”

 

৭) “ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়

পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।” 

 

৮) “দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি

সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি।” 

 

৯) “রাত্রে যদি সূর্য শোকে ঝরে অশ্রুধারা

সূর্য নাহি ফেরে, শুধু ব্যর্থ হয় তারা।”

 

১০) “পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়

পথের দু-ধারে আছে মোর দেবালয়।”

নবম শ্রেণি বাংলা অধ্যায়ভিত্তিক নোটের জন্য এই লেখাটিতে ক্লিক/টাচ করো 

 

১১) “মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয়

আড়ালে তার সুর্য হাসে।” 

 

১২) “সকলের তরে সকলে আমরা 

প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।” 

 

আশাকরি শিক্ষার্থীরা এই সাজেশনটি ফলো করলে তাদের বিদ্যালয়ের প্রথম ইউনিট টেষ্টে ভালো ফলাফল করতে সক্ষম হবে। 

 

নবম শ্রেণির বাংলা বিষয়ে সকল প্রকার সহায়তা লাভ করতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You cannot copy content of this page