radharani

“রাধারাণী” গল্পের আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু নোট প্রদান করা হলো। শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট নোটে টাচ/ক্লিক করে সেই বিষয়ের নোটগুলি দেখতে পারবে।

রাধারাণী গল্প থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্নের উত্তরঃ 

১) রাধারাণী রথ দেখতে গিয়েছিল- মাহেশে

২) রাধারাণীর বয়স- দশ এগারো বছর

৩) মাহেশের রথ হয়েছিল- শ্রাবণ মাসে 

৪) রাধারাণীর মায়ের সঙ্গে মোকদ্দমা হয়েছিল- এক জ্ঞাতির 

৫) রাধারাণীদের সপত্তি ছিল- প্রায় দশ লক্ষ টাকা 

৬) রাধারাণীর মা আপিল করেছিলেন- প্রিবি কাউন্সিলে 

৭) রাধারাণীর মা অসুস্থ হয়েছিল- রথের দিন

৮) রাধারাণী মালা গেঁথেছিল- বনফুলের 

৯) রাধারাণি কাঁদতে কাঁদতে- আছাড় খচ্ছিল

১০) রাধারাণির কাছে মালা ছিল- এক পয়সার 

১১) রাধারাণীর ঘাড়ের উপর এসে পড়েছিল- আগন্তুক 

১২) আগন্তুককে রাধারাণীর মনে হয়েছিল- দয়ালু 

১৩) রাধারাণী মালার মূল্য পেয়েছিল- চার পয়সা 

১৪) অন্ধকারে পয়সাটি- চকচক করছিল

১৫) পদ্মলোচন সাহা হাতে করে এনেছিল- একজোড়া নতুন কুঞ্জদার শান্তিপুরে কাপড় 

১৬) পদ্মলোচন চার টাকার কাপর মুনাফাসহ- আট টাকা সাড়ে চোদ্দো আনায় বিক্রি করেছিল 

১৭) ঘর ঝাঁট দিতে গিয়ে রাধারাণী কুড়িয়ে পেয়েছিল- একখানা নোট 

১৮) নোটে যার নাম লেখা ছিল তিনি হলেন- রুক্মিণীকুমার রায় 

১৯) নোটখানি তারা- তুলে রেখেছিল 

২০) তারা দরিদ্র কিন্তু- লোভী নয় 

 

রাধারাণী গল্প থেকে MCQ প্রশ্নের মক টেষ্ট প্রদান করতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

 

রাধারাণী গল্প থেকে গুরুত্বপূর্ণ SAQ প্রশ্নের উত্তরঃ 

১) রাধারাণী কোথায় রথ দেখতে গিয়েছিল?

উঃ মাহেশে

২) রাধারাণীর বয়স কত ছিল?

উঃ দশ-এগারো 

৩) রাধারাণীর আত্মীয় বলতে কে ছিল?

উঃ তার মা 

৪) রাধারাণীদের কত টাকার সম্পত্তি ছিল?

উঃ দশ লক্ষ টাকার 

৫) রথের মেলায় রাধারাণী কি নিয়ে গিয়েছিল?

উঃ বনফুলের মালা 

৬) কখন বৃষ্টি শুরু হয়েছিল?

উঃ রথের টান অরধেক হতে না হতেই 

৭) রাধারাণীদের বাড়ি কোথায় ছিল?

উঃ শ্রীরামপুরে 

৮) আগন্তুক তার নাম কী বলেছিল?

উঃ রুক্মিণীকুমার রায়  

৯) রুক্মিণীকুমার মালার দাম কত দিয়েছিল?

উঃ চার পয়সা

৭) রাধারাণী ভিজে কাপড় পরেছিল কেন?

উঃ তার আর কাপড় ছিল না 

৮) রাধারাণী কিভাবে ঘরে আগুন জ্বেলেছিল?

উঃ চকমকি পাথর ঠুকে 

৯) কাপড় বিক্রেতার নাম কী ছিল?

উঃ পদ্মলোচন সাহা 

১০) পদ্মলোচন সাহা কী এনেছিল?

উঃ একজোড়া নতুন কুঞ্জদার শান্তিপুরে কাপড় 

১১) পদ্মলোচন সাহা চার টাকার কাপড় মুনাফাসহ কততে বিক্রি করেছিল?

উঃ আট টাকা সাড়ে চোদ্দ আনায় 

১২) নোটে কার নাম লেখা ছিল?

উঃ রাধারাণী আর রুক্মিণীকুমার রায়ের 

রাধারাণী গল্প থেকে বড়ো প্রশ্নের উত্তরঃ

১) “তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে”- তাৎপর্য লেখো। ৫ 

উৎসঃ

বাংলা সাহিত্যের জনক, সাহিত্যসম্রাট “বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়” রচিত “রাধারাণী” উপন্যাসের প্রথম পরিচ্ছদটি আমাদের পাঠ্য “রাধারাণী” স্বরূপ গৃহীত হয়েছে; যেখান থেকে প্রশ্নোক্ত অংশটি চয়ন করা হরেছে।

তাৎপর্যঃ

রাধারাণী ও তার মা তার পিতার মৃত্যুর পরবর্তিতে জ্ঞাতির কাছে মামলা মোকদ্দমায় পরাজিত হয়ে ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে অসহায়ভাবে জীবন অতিবাহিত করতে বাধ্য হয়। অসুস্থ মায়ের ওষুধ ও পথ্যের জন্য রাধারাণী বনফুলের মালা গেঁথে মাহেশের রথের মেলায় বিক্রি করতে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে মালা বিক্রি করতে না পেরে যখন সে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি প্রত্যাবর্তন করছিল তখন তার সাথে এক পথিকের সাক্ষাৎ ঘটে।

তার দুখ-কাহিনি শুনে পথিক তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয় এবং তার থেকে সেই বন ফুলের মালা চার পয়সায় কিনে নেয়।কিন্তু রাধারাণী ঘরে ঢুকে আলো জ্বালিয়ে দেখে যে পথিক তাকে পয়সার পরিবর্তে টাকা প্রদান করেছে। এরপর কাপড়ের ব্যবসায়ী পদ্মলোচন সাহাকে দিয়ে তিনি রাধারাণীর জন্য কাপড়ও কিনে পাঠিয়ে দেন। এরপরে রাধারাণী ঘর ঝার দেবার সময় একটি নোট খুঁজে পায়, যেখানে পথিকের নাম রুক্মিণীকুমার রায় লেখা ছিল এবং সে রাধারাণীর নামও লেখা ছিল।

কিন্তু সেই নোটটি তারা ভাঙায় নি।তারা রুক্মিণীকুমার রায়ের সন্ধান করে এবং তাকে না পেয়ে সেই নোটটি তুলে রাখে, “নোটখানি তাহারা ভাঙাইল্‌ না- তুলিয়া রাখিল।” অর্থের প্রয়োজন তাদের থাকলেও তারা তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করবে না। এর থেকেই তাদের নির্লোভী মানসিকতার পরিচয় আমরা লাভ করি।

 

গল্প থেকে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরঃ 

‘রাধারানী’ গল্প অনুসারে রাধারানীর চরিত্র আলোচনা করো। ৫ 

উত্তর দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

 

নবম শ্রেণি বাংলা বিষয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নোটগুলি দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক/টাচ করতে হবে 

 

শিক্ষালয় ওয়েবসাইটের সকল প্রকার নোট, সাজেশন, প্রশ্নপত্র ও মক টেষ্টের সুবিধা গ্রহণ করতে নিম্নের ছবিতে ক্লিক/টাচ করে বিষদ তথ্য জেনে নাওঃ 

paid courses

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You cannot copy content of this page